নিউরোডিজাইন পদ্ধতির মাধ্যমে ওয়েব ইউজেবিলিটির ভবিষ্যৎ কিভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। আমরা জানব কিভাবে মস্তিষ্কের বিজ্ঞান এবং ডিজাইন একত্রিত হয়ে একটি নতুন মান সৃষ্টি করছে।
নিউরোডিজাইন হল ডিজাইনিংয়ের একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, যেখানে মানব মস্তিষ্কের কার্যকলাপ নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা ব্যবহার করে ফিচার তৈরি করা হয়। সম্প্রতি, এই বিজ্ঞানগুলি ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা উন্নত করার জন্য বোঝার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।
উদাহরণ হিসেবে, গবেষণায় প্রতিবেদন করা হয়েছে যে, ৭০ শতাংশ ইউজার বিভিন্ন ফিচার সমস্যা হলে ওয়েবসাইট ছেড়ে চলে যায় (ইউএসবি, ২০২১)।
মহাকাশের মধ্যে সময় চলতি প্যারালাক্স স্ক্রোলিং ডিজাইনগুলি যে কীভাবে আমাদের মানসিক মনোযোগ বিবর্তিত করে, এটি গবেষকরা একাধিক রিসার্চে প্রতিস্থাপন করেছেন। মানুষের মস্তিষ্কের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ Visual Processing এর জন্য নিবেদিত, অর্থাৎ আমাদের চোখের সামনে যা ঘটে তা আমাদের অনুভূতি এবং সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। উদাহরণ হিসেবে, তারা অভিষেক করেছিল যে, একটি ঘর্ষণের অভ্যাস বার্ষিক নিয়মিত ব্যবহার থেকে এসেছে, যেখানে ব্যবহারকারীরা দেখতে পান এবং দ্রুত মানসিক উত্তর তৈরি করেন।
নিউরোডিজাইন পদ্ধতি ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের ডিজাইনাররা লক্ষ্য করেন যে, একটি ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্যগুলি কিভাবে ব্যবহারকারীদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যের অভিজ্ঞতা প্রদান করতে পারে। ডিজাইনিংয়ের সময় বিভিন্ন রঙিন নিদর্শন এবং রূপক সমান্তরাল ব্যবহার করে মানুষের মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করা যায়।
বেশিরভাগ সময়, নরম রঙ ব্যবহার করা হলে, ব্যবহারকারীদের উপর বাড়তি চাপ কমে যায় এবং তারা স্বাচ্ছন্দ্যে অনুভব করেন।
এয়ারবিএনবি তাদের ডিজাইন টিমের গবেষণার মাধ্যমে দুর্দান্ত উদাহরণ স্থাপন করেছে। তারা ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা (UX) উন্নত করতে নিউরোডিজাইনকে সম্পৃক্ত করে তাদের ডিজাইন পরিচালনার সময়। গবেষণায় তারা জানিয়ে দিয়েছে যে, ছবি ও ভিডিওগুলি ব্যবহারকারীদের উপর আরও বেশি প্রভাব ফেলে: “মানুষ স্বাভাবিকভাবে ছবি এবং ভিডিওগুলির দিকে আকৃষ্ট হয়, সুতরাং আমাদের এই পদ্ধতিতে আরও উৎসাহী হতে হবে।”
বর্তমান যুগে তথ্যের উপর ভিত্তি করে ডিজাইন তৈরি করার গুরুত্ব অপরিসীম। একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, একটি ব্যবহারকারী যদি একটি সাইটের এক্সপ্লোরেশনে 3 সেকেন্ডের বেশি সময় ব্যয় না করে, তবে তারা সেই ওয়েবসাইটের অভিজ্ঞতা বরাবর পছন্দ করে। বাস্তবে, ব্যবহারকারীরা সাধারণত ৭০ শতাংশ ভিজুয়াল তথ্য প্রথম কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে মানসিক মনে রাখে। এই তথ্যগুলি নিউরোডিজাইনকে আরও কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয়।
নিউরোডিজাইন সম্পর্কে পড়ার সময় সবচেয়ে মজার বিষয় হল, আমাদের মস্তিষ্কের মাঝে নিউরিয়ন গঠনের ফলে সৃষ্ট হওয়া নতুন চিন্তা। ছেলেরা গবেষণায় দেখা গেছে যে, একটি দ্রুত লোডিং ওয়েবসাইট ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতাকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায়। এটি সাহসীভাবে এটি নিজেদের ব্যবসাকে বড় কনভেন স্বরূপ পেতে সাহায্য করে।
ঠিক আছে, নিউরোডিজাইনে কেবল ডিজাইনাররা একা নন—গবেষকগণও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। তারা বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে বোঝেন কিভাবে বিভিন্ন ডিজাইন শক্তি এবং দুর্বলতার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা যায়। উদাহরণ হিসেবে, গবেষকরা যখন ব্যবহারকারীদের সাথে যোগাযোগ করেন, তারা তাদের মস্তিষ্কের স্নায়বিক প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে এবং তাতে ভিত্তি করে ডিজাইন সম্পন্ন করেন।
কীভাবে একটি ডিজাইনের উপাদান গঠন এবং সেই সময় ব্যবহৃত তথ্যগুলি সমন্বয় হয় তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারনেটের বিশাল বিশ্বে ইউজারদের ক্লোজার ইউজিং অভিজ্ঞতা তৈরির জন্য, আমাদের উচিত সঠিকভাবে উপলব্ধ তথ্যের উপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করা। এটি পরবর্তীতে ডিজাইনে সহায়ক হতে পারে।
গত দশকে ডিজাইন প্রক্রিয়া কার্যকরভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। ২০৩০ সাল নাগাদ, নিউরোডিজাইন ওয়েবসাইটের ইউজেবিলিটি, এক্সপ্লোরেশন, এবং গতিশীলতার জন্য একটি অঙ্গীকার প্রদান করবে। ডিজাইনাররা এটি জানিয়ে দেয় যে তাদের ডিজাইন মানসিকতার গভীর একটি অংশ হতে ইতিমধ্যে শ্রম শুরু হয়ে গেছে।
নিউরোডিজাইন শুধুমাত্র একটি নতুন ট্রেন্ড নয়, এটি মানব মন ও ডিজাইন একত্রিত করে একটি নতুন যুগ গড়ে তুলছে। ডিজাইনার এবং গবেষকদের সমন্বয়ে কাজ, এটি নিশ্চিত করে যে ডিজাইন কেবল চেহারার নয়, বরং গভীর সৃজনশীলতা ও কার্যকারিতার প্রতীক হোক।